ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায় বিস্তারিত জানুন

ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায় আমরা অনেকেই জানতে চাই? কারণ আমাদের অনেকেরই হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি আগের তুলনায় দিন দিন অনেক স্লো হয়ে যায়। ফলে দৈনন্দিন মোবাইল ফোনের কার্যকলাপে আমাদের অনেকের কাছে এটি বিরক্তি করা হয়ে যায়।
আমাদের ফোন স্লো হয়ে যাওয়ায় আমাদের কাছে বিরক্তিকর কারণ হলো আমরা অনেকেই ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায় জানিনা। তবে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই, আমরা আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে একটি স্মার্ট ফোন কি কি কারণে স্লো হয়ে যায় এবং ফাস্ট করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

পোস্ট সূচীপত্রঃ ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায়

ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায়

প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রায় মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। কারণ ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি বা পড়ালেখা অথবা যোগাযোগের মাধ্যম প্রায় সব ক্ষেত্রেই মোবাইল আমাদের জীবনের প্রায় প্রতিটা কাজকেই অনেকটা সহজ করে তুলেছে। কিন্তু এই মোবাইল ফোন ব্যবহারেই আমাদের অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয়। বিশেষ করে যখন হাতে থাকা ফোনটি আগের মত ফাস্ট কাজ করে না অনেকটা স্লো হয়ে যায়।  
যেহেতু আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ অংশ একটি মোবাইল ফোন, সেই হিসেবে প্রতিদিনের কার্যকলাপের উপর ব্যাপক চাপ পড়ে। যা কিছু সময় আমাদের কাছে বিরক্তিকর পরিস্থিতির কারণ হয়। মোবাইল ফোন যেহেতু একটি ইলেকট্রিক পণ্য, তাই সময়ের সাথে সাথে এটি কিছুটা স্লো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। একটা জিনিস সারা জীবন একই রকম থাকে না বা ব্যবহার করা যায় না। তবে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো অবলম্বন করলে স্লো ফোন অনেকটাই ফাস্ট করা সম্ভব।

মোবাইল ফোন কিছুদিন ব্যবহার করলে সাময়িক সময়ের জন্য স্লো হয়ে যেতে পারে। তবে এর জন্য আমরাই দায়ী কারন আমরা ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায়, আমরা জানি না। কোন কাজগুলো করলে একটি ফোন আগে থেকে স্মৃতথলিভাবে কাজ করবে। তো চলুন আর দেরি না করে আমরা আজকে জেনে নেই স্লো হয়ে যাওয়া ফোনে কোন কাজগুলো করলে তা আগে থেকে আরো ভালোভাবে ফাস্টভাবে চলবে। 

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস বা সফটওয়্যার ডিলিট করা

ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায় গুলোর মধ্যে কার্যকরী একটি উপায় হল অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস বা সফটওয়্যার ফোন থেকে ডিলিট করে দেওয়া। সাধারণত আমাদের অনেকের ফোনের মধ্যেই এরকম অসংখ্য এক বা সফটওয়্যার থাকে, যেগুলো আমরা ব্যবহার করি না। হয়তো কোন কারণবশত বা কোন কাজে কোন একটি সফটওয়্যার অনেক আগে ইনস্টল করা হয়েছিল, আর ফোন থেকে রিমুভ করা হয় নাই, আর এটিই আমাদের ফোন স্লো করার অন্যতম কারণ।
ফোন-স্লো-হয়ে-গেলে-ফাস্ট-করার-উপায়-বিস্তারিত-জানুন
মূলত আমরা যে সকল অ্যাপস প্রয়োজন ছাড়া ফোনের মধ্যে রেখে দেই, ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে এই অ্যাপগুলো অটোমেটিক চলতে থাকে। ফলে ফোনের ব্যাটারি, স্টোরেজ র‍্যাম এর উপর অনেকটাই চাপ প্রয়োগ হয়। আর এই অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ হওয়ার ফলেই আমাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ধীরে ধীরে স্লো হতে শুরু করে। এছাড়াও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা এই অ্যাপসগুলো আমাদের ব্যাটারির ব্যাকআপ কমাতেও ভূমিকা রাখে।

তাই ফোন ফাস্ট করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম মোবাইলের এই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস গুলো ডিলিট করে দিতে হবে। আপনার সফটওয়্যার এর মধ্যে দেখবেন যেগুলো চিনেন না বা অনেকদিন ধরে ব্যবহার করা হয়নি, এই অ্যাপসগুলো মোবাইল থেকে আনইন্সটল করে দিলে ফোন হালকা হবে। র‍্যাম এর উপর চাপ কম পড়বে, ফলে ফোন আগের থেকে অনেকটা ফাস্ট কাজ করা শুরু করবে। 

ফোনে ভাইরাস থাকলে রিমুভ করা

অনেক সময় আমাদের ফোনে ভাইরাস প্রবেশ করার কারণেও অনেক স্লো হয়ে যায়। মূলত এই ভাইরাস মোবাইল এর মধ্যে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের থার্ড পার্টি অ্যাপস এবং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। বর্তমান সময়ে এরকম অনেক থার্ডপার্টি অ্যাপস আছে যা মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়, এ সকল ভাইরাস মুক্ত করে আপনি যদি আপনার ফোন কে আরো ফাস্ট ভাবে চালাতে চান? তাহলে সর্বপ্রথম ফোন থেকে সকল ধরনের ভাইরাস রিমুভ করতে হবে। তো চলুন আমরা জেনে নেই মোবাইলে থাকা ভাইরাস কিভাবে রিমুভ করবেন। 

আপনার মোবাইল থেকে ভাইরাস রিমুভ করার জন্য সর্বপ্রথম ফোনের সেফ মুডে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় বা সন্দেহজনক অ্যাপ বা কোন সফটওয়্যার থাকলে সেগুলো ডিলিট করে দিতে হবে। সন্দেহজনক সফটওয়্যার গুলো ফোন থেকে রিমুভ করে দেওয়ার ফোনের মধ্যে যে ভাইরাস স্ক্যান বা ভাইরাস রিমুভ এর সফটওয়্যার থাকে সেটিতে চাপ দিয়ে সম্পূর্ণ ফোন ক্যাশ করে নিতে হবে। আর যদি ফোনের মধ্যে কোন ধরনের ভাইরাস রিমুভার সফটওয়্যার না থাকে তাহলে প্লে স্টোর থেকে বিশ্বস্ত একটি অ্যান্টিভাইরাস রিমুভার নামে অ্যাপস ডাউনলোড করবেন। এবং সেটিতে ক্লিক করেই আপনার ফোনের সকল ভাইরাস রিমুভ করতে পারবেন। 
যদি এরপরেও আপনার ফোনের ভাইরাস রিমুভ না হয়, এবং ফোনটি আগের মতোই অনেক স্লো কাজ করতে থাকে? তাহলে ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে হবে। ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে সাধারণত ফোনের সবকিছু রিমুভ হয়ে একদম নতুনের মত হয়ে যায়। তবে এটি করার আগে অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় ডেটা, জিমেইল আইডি, এবং তথ্যসমূহ সেভ রাখতে হবে। অন্যথায় এগুলোসহ ফোন ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে ফোনের মধ্যে থাকা সব ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ ডিলিট হয়ে যাবে। 

ফোনের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা

অল্প কিছুদিনের মধ্যে ফোন স্লো হয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণে কারণ হলো ফোনের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট না হওয়া। সাধারণত ফোনের অপারেটিং সিস্টেম অটোমেটিক আপডেট হয়ে যায়, এক্ষেত্রে কোনো কারণবশত যদি আপডেট না হয়। তাহলে ফোনের প্রসেসরের ল্যাগ অনেকটা ফিক্স হয়ে যায়, যা ধীরে ধীরে ফোনকে স্লো করে দেয়। তাই আপনার ফোনকে ফাস্ট করার জন্য কিছুদিন পর পর ফোনের অপারেটিং সিস্টেম চেক করুন। কোন সমস্যা বা নতুন কোন আপডেট এসেছে কিনা তা দেখার ভিত্তিতে, অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করুন। তাহলে ফোনের প্রসেসর এবং সেটিংস এর ক্ষমতা সঠিক থাকবে এবং যদি কোন কারণবশত স্লো হয়ে যায় তা ফাস্ট ভাবে কাজ করবে। 

ফোনের স্টোরেজ কিছুটা খালি করা

ফোনের স্টোরেজ যদি সম্পূর্ণ লোড থাকে বা অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ফোনের ব্যাক লিস্টে চাপ প্রয়োগ করে। তাহলে ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ ধীরে ধীরে কমতে থাকে, আর ব্যাটারি ব্যাকআপের উপর চাপ প্রয়োগ হওয়ার কারণে ফোন অনেক সময় স্লো হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আপনার ফোনটিও যদি স্লো হয়ে থাকে? তাহলে ফাস্ট করার জন্য ফোনের স্টোরেজের অপ্রয়োজনীয় ছবি তথ্য বা ফাইলগুলো অন্য কোথাও সরিয়ে বা ডিলিট করে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে দেখা যাবে ফোনের স্টোরেজ অনেকটা হালকা হবে, ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়বে পাশাপাশি ফোন আগের থেকে অনেক ম্মুথলি ভাবে চলবে।  

বিনা কারণে অতিরিক্ত চার্জ দেওয়া এড়িয়ে চলা

ফোন স্লো হয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ হলো বিনা কারণে চার্জে লাগিয়ে রাখা, আমরা অনেকেই আছি যারা ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর জন্য অনেক ক্ষেত্রেই ফোনে চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তারপরও ঘন্টার পর ঘন্টা চার্জে লাগিয়ে রাখি। এটি যেমন ব্যাটারি ব্যাকআপ এর উপর প্রভাব ফেলে, এর ক্ষমতা কমিয়ে দেয় পাশাপাশি ফোনের অপারেটিং সিস্টেমের উপর চাপ প্রয়োগ করে ফোনকে অনেকটা স্লো করে দেয়। তাই ব্যাটারি ব্যাকআপ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ফোন ম্মুথলি ভাবে ব্যবহার করার জন্য আমাদের সবসময় ভালো চার্জার দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ চার্জ দিতে হবে।
আমরা আরেকটি কাজটি করে থাকি তা হল, অনেকগুলো চার্জার দিয়ে ফোনকে চার্জ দেই। এটি মূলত ফোনের অপারেটিং সিস্টেমকে দুর্বল করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাধারণত একেক সময় একেক চার্জার দিয়ে একটি ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখলে, ওই ফোনের প্রসেসর বা অপারেটিং সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে দেখা যায় একসময় এই ফোন স্লো কাজ করে। তাই অবশ্যই ভালোভাবে ফোন দীর্ঘমেয়াদী সময় চালাতে চাইলে এই কাজগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। তাহলে ফোন ভালো থাকবে এবং আমরা দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারব।

ফোনের নিজস্ব ওয়ালপেপার ব্যবহার করা

আমরা অনেকেই ফোনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য, থার্ড পার্টির বিভিন্ন লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার করে থাকি। যে ওয়ালপেপারগুলো ভারি এবং লাইভ হওয়ার কারণে ফোনের প্রেসার এর উপর অতিরিক্ত পরিমাণে চাপ প্রয়োগ করে। ফলে অনেক সময় আমাদের ফোন কিছুটা স্লো হয়ে যেতে পারে। তাই যাদের ফোনে লাইভ ওয়ালপেপার আছে এবং ফোন স্লো কাজ করে, তারা এই লাইফ ওয়ালপেপার রিমুভ করে ফোনের যে নিজস্ব কিছু অপটিমাইজেশন করা ওয়ালপেপার থাকে। সেগুলো ব্যবহার করলে ফোন অনেকটাই ফাস্ট কাজ করবে। 

ফোন ফাস্ট করতে ব্যাটারি অপটিমাইজেশন করা

ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায়গুলোর আরেকটি কার্যকারী উপায় হল ব্যাটারি অপটিমাইজেশন করা। আমরা অনেকেই মনে করি ব্যাটারি অপটিমাইজ করা মানে শুধু চার্জ বাঁচানো, কিন্তু আসলে না। ব্যাটারি অপটিমাইজ ফোনের পারফরমেন্সের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তাই যখন একটি ফোনের ব্যাটারি অপটিমাইজ করা হয় তখন অনেক অপ্রয়োজনীয় যে অ্যাপস গুলো ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, তা বন্ধ হয়ে যায় এবং ফোনটি আগে থেকে অনেক ফাস্ট কাজ করে।
ফোন-স্লো-হয়ে-গেলে-ফাস্ট-করার-উপায়-বিস্তারিত-জানুন
ব্যাটারি অপটিমাইজেশন করার জন্য প্রথমে আমাদেরকে ফোনের setting অপশনে যেতে হবে। setting অপশনে যাওয়ার পর Bettry থেকে Bettry Optimize এ ক্লিক করে, কোন অ্যাপ ফোনের কতটুকু ব্যাটারি খরচ করে তা দেখে দেখে অপ্রয়োজনীয় এক্স গুলোর অপটিমাইজেশন অফ করে দিতে হবে। এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস জন্য ব্যাটারি অপটিমিনেশন অন করে দিয়ে, ব্যাটারি সুরক্ষিত থাকার পাশাপাশি ফোনটা অনেক হালকা হয়ে যাবে, ফলে আগের থেকে অনেক ফাস্ট চলবে। 

প্রয়োজনে ফ্যাক্টরি রিসেট করা

ফোন স্লো হয়ে গেলে উপরে উল্লেখিত যদি কোন উপায়েই ফাস্ট না হয়, তাহলে সর্বশেষ উপায় হল ফ্যাক্টরি রিসেট করা, মূলত একটি ফোনে ফ্যাক্টরি রিসেট করলে ওই ফোনের আগের সম্পূর্ণ তথ্য একেবারে রিমুভ হয়ে যায়, ছবি, ডকুমেন্ট ব্যাকগ্রাউন্ড আপ সবকিছুই। ফলে ওই ফোনটি নতুন অবস্থায় যেমন থাকে ঠিক তেমনি কাজ করতে শুরু করে। তাই স্লো হয়ে যাওয়া ফোন ফাস্ট করতে ফ্যাক্টরি রিসেট করা কার্যকরী। তবে ফ্যাক্টরি রিসেট করার ঝুঁকিপূর্ণ দিক হলো, আপনার ফোনের সবকিছু একেবারে রিমুভ হয়ে যাবে, তাই যদি কোন প্রয়োজনে ফ্যাক্টরি রিসেট মারতে হয় তাহলে ফোন থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, ছবি বা নথিপত্র আগে থেকেই অন্য কোথাও সরিয়ে রাখতে হবে।

লেখকের শেষ কথা

প্রিয় পাঠকগণ, আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ফোন স্লো হয়ে গেলে ফাস্ট করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনার স্লো হয়ে যাওয়া ফোন ফাস্ট করতে একটু হলে সহায়তা করবে। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত এ ধরনের প্রযুক্তিগত বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করে থাকি। এ ধরনের তথ্য নিয়মিত পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আর এই সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রাফিকা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url