মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে?
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? সেটা যদি আপনি ভালো মতো জানতে চান
তাহলে আপনি সঠিক জায়গাই এসেছেন। এখানে আমি আপনাদেরকে মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের
বিষয়ে একবারে শুরু থেকে বলবো।
যেখানে থাকবে মাইক্রোফোন আর লাউড স্পিকারের বৈশিষ্ট্য, এদের পার্থক্য এবং এই দুই ডিভাইস যেভাবে কাজ করে সেটার ধারাবাহিকতা। এই দুই ডিভাইসের সিগন্যাল কিভাবে আদান প্রদান হয় সে বিষয় বিশেষ ভাবে আলোচনা করবো। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত আলোচনা
- মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে?
- মাইক্রোফোনের মূল কাজ ও উদ্দেশ্য
- মাইক্রোফোনের অভ্যন্তরীণ গঠন ও অংশসমূহ
- মাইক্রোফোন কিভাবে শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রুপান্তর করে
- লাউড স্পিকারের গঠন ও মূল উপাদানসমূহ
- লাউড স্পিকারে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল থেকে শব্দ তৈরি করে
- মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের মধ্যে পার্থক্য
- প্রযুক্তিতে মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের ব্যবহার ক্ষেত্র
- আধুনিক মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের উন্নত প্রযুক্তি
- শেষ কথা
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে?
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? সেটা জানার আগে জানতে হবে এই দুইটা
ডিভাইসের কাজ। মাইক্রোফোন আর লাউড স্পিকারের কাজ মূলত শব্দকে শোনার যোগ্য করে
তোলা। মাইক্রোফোন বিদ্যুৎ তৈরি করে, লাউড স্পিকার সেই বিদ্যুৎ থেকে থেকে শব্দ
তৈরি করে। মাইক্রোফোন শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিবর্তন করে আর সেই
বৈদ্যুতিক সিগন্যাল থেকে শব্দ তৈরি করা লাউড স্পিকারের কাজ। এই দুইটা ডিভাইস এক
অপরের সাথে ভালো মতো সম্পর্কিত। শব্দকে আমাদের শোনার উপযুক্ত করে তোলার কাজ হল
এই ডিভাইসের কাজ। মাইক্রোফোন আশেপাশের শব্দ তরঙ্গ একসাথে সংগ্রহ করে।
এই শব্দ তরঙ্গ আসলে একটা কম্পন, এই কম্পন ডায়াফ্রাম একটা ধাক্কা দেয়। যার ফলে
একটা বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হয়। এই সিগন্যাল আবার তারের মাধ্যমে স্পিকারে
যায়। আমপ্লিফায়ারের মাধ্যমে দুর্বল বা আসতে শব্দ টাকে শক্তিশালী করে বা শোনার
যোগ্য করে তোলে। যার জন্য সে শব্দ স্পষ্ট শোনা যায়। লাউড স্পিকার এই বৈদ্যুতিক
সিগন্যালকে আবার শব্দ তরঙ্গে পরিবর্তন করে নেয়। পরে যেয়ে এই শব্দ আমাদের কানে
জেনে পৌছাই, যার জন্য আমরা শুনতে পায়। দেখে মনে হয় না যে এতো রকম কাজ হয়।
কিন্তু প্রযুক্তি আতই পরিবর্তন হয়েছে যার জন্য আমরা এখন অনেক দূর আগাই গেছি।
মাইক্রোফোনের মূল কাজ ও উদ্দেশ্য
প্রযুক্তি পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের জীবন যাত্রার মানও পরিবর্তন হয়েছে। আমরা
এখন অনেক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। কিন্তু আগের সময়ে যারা এসব প্রযুক্তি পায়নি।
তারা অনেক ভাবে সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে। এখন হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের
মানুষের কথা অনেক সুন্দর ও স্পষ্ট শোনা যায় সুন্দর সুন্দর ডিভাইসের মাধ্যমে।
এখন বের হয়েছে হেডফোন, এয়ারবার্ড ও ব্লুটুথ। এইগুলো ডিভাইস বহন করতেও অনেক
শান্তি লাগে। কোন প্রকার ওজন নাই। আসলে মাইক্রোফোনের কাজ হল যে কোন রকমের
শব্দকে রেকর্ড করা। যেমন কোন মানুষের কণ্ঠ, কোন সংগীত বা কবিতা আবৃতি কিংবা
পরিবেশের শব্দ রেকর্ড করা।
আরো পড়ুনঃ
উইন্ডোজ ১১ আপডেটের সুবিধা বিস্তারিত জানুন
এতে সেগুলো সৃতি হিসেবে মানুষ তাদের ফোন বা কম্পিউটারে রাখে। এইটার একটা বড়
বিপ্লব হল যোগাযোগের মাধ্যম। ফোনে কল, রেডিও ও টেলিভিশন এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে
এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা মানুষ তাদের মনের কথা আদান প্রদান করে থাকে। এতে অনেক
মানুষের উপকার হয়েছে। আবার আরেকটা দিকে আমি ভেবে দেখেছি যে বিভিন্ন গায়ক বা
সংগীত শিল্পীরা এই ডিভাইসের মাধ্যমে অনেক সুন্দর ও ক্লিয়ার গান করে থাকেন। যে
আমাদের শুনতে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ হয়। সেজন্য আমি মনে করি যে এই মাইক্রোফোনের
যে সকল ব্যবহার সেটা অবশ্যই একটা বড় বিপ্লব এবং এই ডিভাইসের ব্যবহার
ক্ষেত্রগুলো হল মাইক্রোফোনের মূল উদ্দেশ্য।
মাইক্রোফোনের অভ্যন্তরীণ গঠন ও অংশসমূহ
প্রযুক্তিগতভাবে বলতে গেলে মাইক্রোফোন এবং লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে এটি
জানা আমাদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। মাইক্রোফোনের ভিতরের অনেক রকমের পার্টস
আছে। যেগুলো এক একটা এক এক কাজে ব্যবহার হয়। তবে পার্টস গুলো একটা আরেকটার
সাথে সম্পর্কিত। মানে একটা পার্টস থেকে কাজ হয়ে আরেকটা পার্টসে যেয়ে পৌছায়।
সেজন্য একটা অংশ নষ্ট হয়ে গেলে মাইক্রোফোনই কাজ করবে না। এখন আমি এই অংশগুলোর
বিষয়ে বলবো যে কোন অংশের কি কাজ। শুরুতে বলবো যে অংশ সেটার কাজ অনেক
গুরুত্বপূর্ণ। সেটা হল ডায়াফ্রাম, এই ডায়াফ্রামে আসলে একটা পাতলা পর্দার মতো
নাম হল ঝিল্লি। শব্দ তরঙ্গ এই ঝিল্লিতে যেয়ে ধাক্কা দেই যার জন্য একটা কম্পন
তৈরি হয়। এরপরে এই কম্পনকে একটা অংশ যার নাম চম্বুক বৈদ্যুতিক সিগন্যালে
পরিবর্তিত করে ফেলে।
এই সিগন্যাল ও কম্পন তৈরি করতে কয়েল নামক একটা পার্টস সাহায্য করে। মানে এই
কয়েলের মাধ্যমে চৌম্বকক্ষেত্রে নড়াচড়াতে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হয়। এছাড়া
আরও অনেক রকমের সার্কিট থাকে যেগুলো এই সিগন্যালকে নরমাল রাখতে সাহায্য করে।
এই মাইক্রোফোনের বাইরের আবরন আবার একটা বিশেষ ধরনের অংশ। যেটা মাইক্রোফোনের
বাইরের বডি এবং ভিতরের পার্টসগুলোর সুরক্ষা দেয়। আরেকটা বিষয় আমি বলবো যেটা
অনেকে জানে না তা হল কানেকশন টার্মিনাল। এই কানেকশন টার্মিনালের কাজ হল তার
বা কেবলের সংযোগ। এইটার মাধ্যমে সিগন্যাল বাইরে যায়।
মাইক্রোফোন কিভাবে শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রুপান্তর করে
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? জানার আগে জানতে হবে যে
মাইক্রোফোন যেভাবে শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিবর্তন করে। এইটার কিছু
ধারাবাহিকতা আছে। একটা সুন্দর উদাহরণ দিলে বুঝতে পারবেন। যেমন ধরেন একজন গায়ক
গান করছে, তার কাপড়ের কলারে একটা মিনি মাইক্রোফোন আছে যেটা সে গানটার শব্দ
তরঙ্গ হিসেবে মাইক্রোফোনের ডায়াফ্রামে পাতলা ঝিল্লিতে একটা কম্পন তৈরি করছে।
এই কম্পন একটা চৌম্বকের সংস্পর্শে এসে নড়াচড়া করে। এই নড়াচড়ার ফলে একটা হালকা
বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি হয়।
যা আমরা বলে থাকি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল। এইটা শুরুতে অনেক দুর্বল আকারের হয়। সে
সিগন্যাল টা আমপ্লিফায়ারের কাছে যেয়ে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল আবার তৈরি হয় তবে
এবার আগের থেকে বেশি শক্তিশালী। এরপর এই সিগন্যাল তারের মাধ্যমে স্পিকার বা
রেকর্ডারে যেয়ে আবার শব্দ তরঙ্গে তৈরি হয়। তবে এই তরঙ্গ অনেক পরিস্কার ও
শ্রবণযোগ্য হয়। পরবর্তীতে সে গানটা সবার কাছে সুন্দর এবং বোঝার মতো হয়।
এইভাবে মাইক্রোফোনের ভিতরে শব্দ তরঙ্গ একটা বৈদ্যুতিক সিগন্যালে বদলায় যায়।
প্রতিটা পার্টসই একে অপরের সাথে সংযোজন।
লাউড স্পিকারের গঠন ও মূল উপাদানসমূহ
এখন আমরা আলোচনা করবো লাউড স্পিকারের গঠন এবং এর উপাদানের বিষয়ে। আসলে এইটা
একটা দুইটা উপাদান দিয়ে তৈরি না। লাউড স্পিকারের ভিতরে অনেক পার্টস আছে
যেগুলো শব্দকে সুন্দর করে পরিস্কার করে ও শোনার যোগ্য করে তোলে। সে
পার্টসগুলো নিয়ে এখন আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। মূলত কয়েকটা মূল উপাদান
আছে, যেমন ডায়াফ্রাম, চৌম্বক, ভয়েস কয়েল, হাউজিং, সাসপেনশন, কানেকশন পয়েন্ট ও
গ্রিল বা কভার। এইগুলো লাউড স্পিকারের মূল উপাদান। এদের গঠন অনেক সুন্দর ভাবে
করা আছে।
যার ফলে শব্দের এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে পরিস্কার হয়। এই ডায়াফ্রাম আসলে একটা
পাতলা অংশ দিয়ে তৈরি হয়েছে এখানে শব্দ তরঙ্গ বাঁধা পেয়ে কম্পনে পরিনত হয়।
চৌম্বক ও কয়েলের ফলে এইটা একটা নড়াচড়া করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিনত হয়। এই
সিগন্যাল আমপ্লিফায়ারে যেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠে। তারপরে যেয়ে এই
শক্তিশালী বৈদ্যুতিক সিগন্যাল শব্দে রুপান্তর হয়। এইভাবে করে লাউড স্পিকারের
প্রতিটি অংশ কাজ করে। পর্যায়ক্রমে কাজ হয়ে আসে বিধায় আমরা সাউন্ডটা পরিস্কার
শুনতে পায়।
লাউড স্পিকারে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল থেকে শব্দ তৈরি করে
আমরা যা জানলাম সেটা হল লাউড স্পিকারের গঠন প্রক্রিয়া। আর এখন জানবো আমরা এই
স্পিকার যেভাবে করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে শব্দতে পরিনত করে। এই ডিভাইসগুলোতে
শব্দ অপরিছন্ন হয়ে আসে আবার আউটপুট হয় শোনা ও বোধগম্য হয়ে। শুরুতে যে শব্দ
তরঙ্গ তৈরি হয় সেটা ডায়াফ্রামে ও কয়েলের মাধ্যমে একটা কম্পনে পরিনত হয়, যেটা
পরে যেয়ে একটা চম্বুকের জন্য হালকা নড়াচড়া করে। যার ফলে একটা সীমিত পরিমান
বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হয়ে যায়।
আরো পড়ুনঃ
পুরাতন দলিল বের করার সহজ উপায় মোবাইল দিয়ে
এই কম্পন কিন্তু বাতাসের চাপের উপর নির্ভর করে শব্দ তরঙ্গ তৈরি করে। যেটা
আমরা পরে শুনতে পায়। এখন সিগন্যালটা দুর্বল প্রকৃতির হয়। যেটা পরে
আমপ্লিফায়ারের দ্বারা শক্তিশালী হয়ে উঠে। দিয়ে পরে রেকর্ডারে যেয়ে এই শব্দ
একটা প্রকৃত শব্দে পরিনত হয়। যা আমাদের শোনার ক্ষমতার উপযোগী হয়। আমি যখন
ডিপ্লোমা পড়ছিলাম, তখন আমি আর আমার বন্ধু মিলে একটা মাইক্রোফোন ও লাউড
স্পিকারের ডায়াগ্রাম তৈরি করেছিলাম। যেখানে স্পষ্ট ছিল শব্দ কিভাবে তৈরি হয়।
সেটার জন্য আমরা পুরস্কার ও পেয়েছিলাম। সেজন্য এই বিষয়ে আমার একটা আলাদা
জ্ঞান কাজ করে।
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের মধ্যে পার্থক্য
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? এই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দেখতে
গেলে এর মধ্যে বেশ কয়েকটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। যেগুলো ভালো মতো খেয়াল
করলে বুঝা যাবে যে কোন ডিভাইস কি কাজ করে। আমি নিজে কলেজে প্রজেক্ট করার সময়
কিছু বিষয় খেয়াল করেছিলাম। সেগুলো মূলত পার্থক্য ছিল। আমি সেগুলো আপনাদের
কাছে তুলে ধরছি।
মাইক্রোফোন
- মাইক্রোফোনের কাজ হল শব্দ থেকে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি করে।
- এখানে অরিজিনাল শব্দ তরঙ্গ ইনপুট হয়ে যায়।
- আর আউটপুট হয় বৈদ্যুতিক সিগন্যাল হয়ে।
- এই মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয় রেকর্ডিং কিংবা প্রচারনা
- এই মাইক্রোফোনের মূল পার্টস হল ডায়াফ্রাম, কয়েল, চুম্বক, সার্কিট।
লাউড স্পিকার
- বৈদ্যুতিক সিগন্যাল থেকে আবার শব্দে রুপান্তর করার কাজ হল লাউড স্পিকারের
- লাউড স্পিকারে ইনপুট হয় বৈদ্যুতিক সিগন্যাল
- আর আউটপুট হয় শোনার মতো শব্দ তরঙ্গ।
- এই ডিভাইস ব্যবহার হয় বিভিন্ন স্টেজ সো করার জন্য কিংবা পারফরমান্স করার জন্য
- এই ডিভাইসের উপাদান হল ডায়াফ্রাম, ভয়েস কয়েল, সাসপেনশন এবং হাউজিং
প্রযুক্তিতে মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের ব্যবহার ক্ষেত্র
বর্তমানে এই মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার এতো হারে বিক্রি হচ্ছে। এইটার
চাহিদা আমি দেখছি, আমাদের চারপাশে বহু মানুষ আছে যারা এই মাইক্রোফোন ও
লাউড স্পিকার ব্যবহার করে। কোন গান শুনতে, কোন ভিডিও কল কিংবা অডিও কলে
এখন এই ডিভাইস অনেক কমন হয়ে গেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই ডিভাইস গুলো মানুষ
ব্যবহার করে থাকে। যেমন যোগাযোগের জন্য এই ডিভাইস একটা অনেক বড় ভূমিকা
পালন করে। ফোনে কল দেওয়া থেকে শুরু করে এখন নানা অফিসিয়াল কনফারেন্সে এই
ডিভাইসের ব্যবহার ভালো।
কোথাও ঘুরতে গেলে কিংবা কোন বড় ঘোটনা ঘটলে এই ডিভাইসের অনেক দরকার হয়।
অনেক শিল্পীরা তাদের গান করার জন্য সুন্দর একটা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে।
এখন সব কিছু ব্র্যান্ড হওয়াতে মানুষ মাইক্রোফোন নিলে ব্র্যান্ডেরই
নিচ্ছে। এই সকল ক্ষেত্রে মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার ব্যবহার করা হয়।
আধুনিক মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের উন্নত প্রযুক্তি
আমরা এতক্ষণ মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? করে বিষয়ে জানলাম
এবং কিভাবে আরও ভালো ও পরিস্কার এবং স্পষ্ট শব্দ তৈরি করা যায়। বর্তমানে
যুগ পরিবর্তনের পাশাপাশি অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে গেছে। নতুন নতুন ফিচার
তৈরি হয়েছে। আরও বেশি ফাংসানাল হয়ে গেছে। আগে একটা শব্দ তরঙ্গকে পরিস্কার
ও স্পষ্ট করতে কত কিছু করে তারপরে পাওয়া গেছে। কিন্তু এখন সেটা আর নাই,
এখন সব কিছু সহজ হয়ে গেছে। বিশেষকরে যে বিষয়টা আমি খেয়াল করেছি সেটা হল
নয়েজ ক্যান্সেলেশন। এইটা এমন একটা অপশন যেটা বাইরের সকল অপ্রাসাঙ্গিক
শব্দকে বাদ দিয়ে থাকে।
মানে ধরেন এখন আপনি এখন বাজারে একজনের সাথে ফোনে কথা বলছেন, যদি আপনার
নয়েজ ক্যান্সেলেশন অন থাকে তাহলে শুধু আপনার কথা শুনতে পারবেন বাকি
রাস্তার গাড়ি ঘোড়ার শব্দ শোনা যাবে না। আরেকটা সুন্দর অপশন হল ওয়্যারলেস
মাইক্রোফোন। এইটা এমন একটা পরিবর্তন এনেছে যেটা এই প্রযুক্তি বাজারের এই
মাইক্রোফোনের ব্যবসাকে আরও বেশি বাড়ায় দিয়েছে। তার বিহীন মাইক্রোফোন,
মানে কলারে বা কানে রেখে দিলে সেটা আটকে যায়। ফলে তারের জন্য যে একটা
বিরক্তি লাগতো সেটা এখন আর হয় না। এইভাবে করে মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার
প্রযুক্তিকে অনেক বেশি উন্নত করেছে।
শেষ কথাঃ মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে?
মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকার কিভাবে কাজ করে? আমরা আজকে এখানে বিস্তারিতভাবে
জানলাম। আমি এখানে মাইক্রোফোন থেকে শুরু করে লাউড স্পিকার পর্যন্ত এই দুই
ডিভাইসের সকল দিক তুলে ধরেছি। সেই সাথে আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা
শেয়ার করেছি। একটা শব্দ কিভাবে করে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল থেকে পুনরায় আবার
শব্দে কিভাবে হয় সেটা আপনারা জানলেন।



রাফিকা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url