কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়
কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায় নতুনদের মধ্য থেকে অনেকের মনেই
এমন প্রশ্ন থাকে। কেননা বর্তমান সময়ে অনেকেই আছে যারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে ইচ্ছুক
কিন্তু কোন স্কিলটা তার জন্য ভালো হবে, কোনটি দ্রুত সময় তাকে সাফল্যের দিকে নিয়ে
যাবে তা জানি না।
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আসার আগে নতুনদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো
নির্দিষ্ট স্কিল বাছাই করা, যা শেখার সহজ এবং এর চাহিদা আছে, অনেকেই এই বিষয়টি
বুঝতে পারে না। বিশেষ করে তাদের জন্যই আজকের আর্টিকেল আমরা কোন স্কিল শিখলে দ্রুত
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায় এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
পোস্ট সূচিপত্রঃ কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়
- কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়
- ফ্রিল্যান্সিংয়ে স্কিল আসলে কি
- ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সঠিক স্কিল শিখার গুরুত্ব
- দ্রুত শিখা যায় এমন কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং স্কিল
- দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু লক্ষ্য নির্ধারণ করার গুরুত্ব
- ছোট প্রজেক্ট নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা
- দক্ষতাকে প্রচার করে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা
- নিজের স্কিলের নিয়মিত প্র্যাকটিস করা
- ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য কিছু পরামর্শ
- শেষ কথাঃ কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়
কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়
বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষের আয়ের উৎস অনলাইন। আর এই অনলাইন থেকে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হল ফ্রিল্যান্সিং। বর্তমানে আমরা ছোট-বড় সবাই মোটামুটি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং কাজের সাথে পরিচিত। ফ্রিল্যান্সিং হলো অনলাইন থেকে অর্থ আয় করার এমন একটি পথ, যেই পথকে অবলম্বন করে আপনি আপনার স্কিলকে কাজে লাগিয়ে সাফল্যে পৌঁছাতে পারবেন।প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রায় সঠিকভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আপনার যে অনেক অভিজ্ঞতা বা বিশেষ স্কিল এর প্রয়োজন হবে সেটা না। কারণ ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হলে প্রয়োজন সঠিক স্কিল এবং ছোট ছোট প্রজেক্টে কাজ করার মন-মানসিকতা।নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ, সঠিক স্কিল, পরিশ্রম আর কঠোর
ধৈর্য শক্তি পারে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আপনাকে সাফল্যের পর্যায়ে নিয়ে যেতে। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকেই এই ফ্রিল্যান্সিং কে ফুল টাইম হিসেবে নিয়েছে,
আবার কেউ পার্টটাইম হিসেবে, আবার অনেকেই এটাকে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার হিসেবে
নির্ধারণ করে নিয়েছে। তাই আপনিও যদি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ফ্রিল্যান্সিং
শুরু করতে চান? তাহলে আপনাকে একটি সঠিক স্কিল অর্জন করতে হবে। কারণ সঠিক
স্কিলে আপনাকে সব সময় একধাপ এগিয়ে রাখবে। তো চলুন আর দেরি না করে আমরা জেনে
নেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে কোন স্কিলের চাহিদা আছে এবং কোনটি আপনার জন্য সহজ হবে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে স্কিল আসলে কি
সাধারণত স্কিল বলতে বোঝায় দক্ষতাকে। উদাহরণস্বরূপ আপনি ভবিষ্যতে একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হতে চান, এখন আপনাকে একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে যে কোন একটি বিষয় নির্ধারণ করে সেটির উপর দক্ষ হতে হবে। কোন প্রকার দক্ষতা ছাড়া অন্তত ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। এই যে আপনি যে কোন একটা বিষয়ের উপর দক্ষ হয়ে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আসবেন এই দক্ষতাই স্কিল নামে পরিচিত।ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সঠিক স্কিল শিখার গুরুত্ব
আমরা আগেই বলে দিয়েছি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সাফল্য পেতে প্রথমেই আপনার দরকার
হবে একটি সঠিক স্কিল। যেহেতু কোন প্রকার স্কিল ছাড়া ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হওয়া
সম্ভব না। তাই এখানে আপনার শুধু ইচ্ছা শক্তি থাকলেই হবে না পাশাপাশি একটি
নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যা আপনাকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার
হতে সহায়তা করবে। বর্তমান সময়ে এই ফ্রিল্যান্সিং জগতে সঠিক স্কিলের গুরুত্ব
অনেক বেশি। কারণ প্রযুক্তির হাত ধরে বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে হাজার হাজার
ফ্রিল্যান্সার রয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তি আছে যারা সকলেই একই স্কিল
নিয়ে কাজ করে। সেই ক্ষেত্রে দেখা যায় এই সকল হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সারদের
মধ্য থেকে যাদের স্কিল সবচেয়ে ভালো, তারাই ক্লাইন্টের কাছ থেকে কাজ বেশি
পায়।
তাই আপনাকে এই প্রতিযোগিতার জগতে আপনি যদি আত্মবিশ্বাসের সাথে সঠিক স্কিল
অর্জন করতে পারেন, তাহলে সকলের চেয়ে আপনি এক ধাপ এগিয়ে যাবেন। আমরা মনে করি
নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে হয়তো প্রথম অবস্থায় কাজ করতে পারবো না,
এটি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ আপনার মধ্যে যদি সঠিক স্কিল এবং ভালো প্র্যাকটিস
থাকে, এবং ছোট ছোট কাজ করার মত মন মানসিকতা থাকে। তাহলে এদের সাথে তাল মিলিয়ে
আপনি একসময় সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন।
দ্রুত শিখা যায় এমন কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং স্কিল
আমরা অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে আগ্রহী, কিন্তু বুঝতে পারতেছি না
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসগুলোতে কোন স্কিল
এর চাহিদা বেশি, কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়।
ফ্রিল্যান্সিং শিখার আগে অবশ্যই আমাদের মাথায় রাখতে হবে, দ্রুত স্কিল অর্জন
করার থেকে ধৈর্য ধারণ করে চাহিদা ভিত্তিক এবং সঠিক স্কিল অর্জন করা ভালো।
যেহেতু এটা আমরা ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করব।
বর্তমান লোকাল মার্কেট এবং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসগুলো ভিজিট করলে দেখা
যায় এখানে হাজার হাজার ধরনের কাজ আছে, কিন্তু প্রত্যেকটা কাজের চাহিদা এক না।
কিছু কাজ বায়ারদের কাছে কমন, প্রতিনিয়ত বায়ারদের প্রয়োজন হয়, এ ধরনের কাজগুলো
শিখলেই মূলত ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য সফলতার একটি মাধ্যম হবে। আজকে
আর্টিকেলে আমরা বর্তমান সময়সহ ভবিষ্যতেও এর প্রচন্ড চাহিদা থাকবে এমন কয়েকটি
স্কিল নিয়ে আলোচনা করব। ফ্রিল্যান্সিং এর প্রতিটা স্কিল সম্পর্কে নিচে
বিস্তারিত উল্লেখ করে দেওয়া হলো।
ডিজিটাল মার্কেটিং: ফ্রিল্যান্সিংয়ের সকল স্কিল গুলোর মধ্যে বর্তমান সময়ের
সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং চাহিদা সম্পন্ন স্কিলগুলোর মধ্যে একটি হল
ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে বোঝায় একটা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা অনলাইনে
গ্রাহকদের কাছে প্রচার করার মাধ্যমকে। এক্ষেত্রে দেখা যায় সারা বিশ্বের যে
কোন একটা প্রতিষ্ঠানের কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে
অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডিজিটাল মার্কেটারের প্রয়োজন হয়। চলমান প্রযুক্তির সাথে
সাথে দিন দিন অনলাইন ব্যবসার প্রচলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই হিসেবে দেখা যায়
ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা আরো বাড়বে। তাই যারা দ্রুত কোন
ফ্রিল্যান্সিং স্কিল শিখে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং
একটি সঠিক স্কিল।
গ্রাফিক্স ডিজাইন: ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর এর মধ্যে গ্রাফিক ডিজাইন এমন
একটি স্কিল, যেটা খুব সহজেই আপনি শিখতে পারবেন, এবং বর্তমান সময়ে এটির চাহিদাও
রয়েছে। আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইন শিখেন তাহলে বিভিন্ন পোস্টার, ব্যানার, বিজনেস
কার্ড এমনকি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য কন্টেন্ট ডিজাইনের করতে
পারবেন।
প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে অনেকেই Ai এর মাধ্যমে সহজে ডিজাইন করতে
পারে। এমনকি ভবিষ্যতেও Ai এর মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদা আরো বাড়বে। তাই
আমি আপনাকে পরামর্শ করবো বর্তমান সময়ে গ্রাফিক ডিজাইন শিখে ফ্রিল্যান্সিং না
শুরু করাই ভালো হবে। তবে আপনি যদি শুধু বর্তমানের জন্য শিখতে চান তাহলে ঠিক
আছে, আর যদি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাহলে গ্রাফিক ডিজাইনের পরিবর্তে
স্কিল অর্জন করায় আপনার জন্য ভালো হবে।
দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু লক্ষ্য নির্ধারণ করার গুরুত্ব
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখে দ্রুত আয় করতে চান, তাহলে সর্বপ্রথম আপনার
একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে, লক্ষ্য যেমন, আপনি কোন বিষয় নিয়ে
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন, গ্রাফিক ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং নাকি ডিজিটাল
মার্কেটিং। এরকম যেকোনো একটি বিষয় যদি আপনি নির্ধারণ করে, সেটির উপর ভিত্তি
করে ধৈর্য এবং পরিশ্রমের সাথে কাজ করেন তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং শুরু
করার যাত্রা অনেকটা সহজ হবে।
মোটকথা বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে, আপনার থাকতে হবে লক্ষ্য,
পরিশ্রম, ধৈর্য এবং গন্তব্য। আর ফ্রিল্যান্সিং করে সফল হতে হলে আপনাকে
প্রত্যেকটি বিষয়ে সচেতনতা অবলম্বন করে সঠিক গাইডলাইন এর মাধ্যমে চলতে হবে।
ছোট প্রজেক্ট নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা
আমরা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পর, প্রথম অবস্থাতেই বড় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ
করতে চাই, যা আমাদের ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই
ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফল হতে আমাদেরকে শুরুতে অল্প পেমেন্ট হোক, প্রজেক্ট ছোট
বা বড় এদিকে লক্ষ্য না করে দক্ষতার সাথে কাজের প্রমাণ দিতে হবে। তাহলে
আমাদের কাজের প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে এবং পরবর্তীতে কাজের অর্ডার দিবে।
মোটকথা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফল হতে হলে অবশ্যই ছোট হোক বড় হোক যেকোনো
মাধ্যমেই কোন কাজের অর্ডার বাতিল করা যাবে না, পরিশ্রম বেশি করে হলেও
সেটিকে সাফল্যের রাস্তা হিসেবে বেছে নিতে হবে।
দক্ষতাকে প্রচার করে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা
কোন স্কিল শিখলে দ্রুত ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায় আমরা জানি, কিন্তু শুরু
করার পর সাফল্য অর্জন করতে ওই স্কিলকে কিভাবে কাজে লাগাতে হয় সে বিষয়ে
অনেকেই জানিনা। এখন মনে করুন আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছেন, আপনার মধ্যে
সঠিক স্কিল আছে, কিন্তু আপনার কোন ইনকাম নেই, তাহলে কি আপনি সফল হতে
পারবেন। এটির উত্তর হল কোনোভাবেই পারবেন না।
কারণ আপনার দক্ষতা যদি মানুষের সামনে উপস্থাপনই না হয়, তাহলে আপনি কাজের
অর্ডার পাবেন কিভাবে আর ইনকামই বা করবেন কিভাবে। তাই টাকা ইনকাম করতে
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ক্ষেত্রে আপনার দক্ষতাকে সঠিকভাবে গ্রাহকদের কাছে
প্রচার করতে হবে। মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনার দক্ষতাকে তাদের সামনে
উপস্থাপন করতে হবে। তাহলেই আপনি কাজের অর্ডার পাবেন এবং ফ্রিল্যান্সিং
যাত্রা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য সঠিক মাধ্যম হয়ে দাঁড়াবে।
নিজের স্কিলের নিয়মিত প্র্যাকটিস করা
যেকোনো স্কিল নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে, যদি কোন ক্ষেত্রে কাজের পাওয়া
কষ্টকর বা দেরি হয়, তারপরেও হাল ছেড়ে দিলে চলবে না নিজের স্কিল এর নিয়মিত
প্র্যাকটিস করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং করে দ্রুত সাফল্য অর্জন করা যায় না,
তাই নিজের স্কিল যদি সঠিকভাবে ঠিক রেখে ধৈর্য ধরে লেগে থাকা যায়। তাহলে
অবশ্যই একদিন ফ্রিল্যান্সিং এর হাত ধরে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানো
সম্ভব।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য কিছু পরামর্শ
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখা সবচেয়ে বেশি
গুরুত্বপূর্ণ, আমরা অনেকেই কোন স্কিল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায় এটা
নিয়ে চিন্তা করি। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার আমার জন্য কতটুকু
কার্যকরী, এখানে আমি নিজে কতটুকু পরিশ্রম করে সফল হতে পারব এই বিষয়টি কেউ
চিন্তা করে না। যা বর্তমানে অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারের সাফল্য অর্জনের অন্যতম
বাধা।
তাই আমি আপনাকে পরামর্শ দিব, যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন, তাহলে
নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে এবং কোন অবস্থাতেই হতাশ হওয়া যাবেনা, বরং
নতুন করে সাফল্যের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যদি পদ্ধতি গুলো অবলম্বন
করে ধীরে ধীরে প্রচেষ্টা করেন, তাহলে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং করে সফল হতে
পারবেন।



রাফিকা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url