ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায়

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং পাশাপাশি কিভাবে আপনি চিরতরে এই চুলকানি নানা ধরণের ত্বকের সমস্যা থেকে থেকে মুক্তি পাবেন তা জানাবো। 
ঘরোয়া-পদ্ধতিতে-চুলকানি-দূর-করার-উপায়
আজকাল আমাদের অনেকেরই চুলকানির সমস্যা রয়েছে। চুলকানি সাধারণত এমন একটা অবস্থা যখন ত্বকে জ্বালাপোড়ার কারণে আমরা নিজেদের ত্বক আঁচড়ে থাকি। এটি ত্বকের অ্যালার্জি সহ বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে তো চলুন জেনে নেই বিস্তারিত এর ঘরোয়া সমাধান সম্পর্কে।

পোস্ট সূচীপত্রঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায়

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায়

আমরা এখন ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায় বিস্তারিত আলোচনা করবো। জীবনে কারো একবারও চুলকানি হয়নি এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া যাবে না। চুলকানি একটি সাধারণ ব্যাপার হলেও মাঝে মাঝে এটি অনেক সময় অসহ্যকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তখন অনেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নানা ক্রিম এবং লোশনের ব্যবহার করে থাকে যা আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই আজকের এই আর্টিকেল আমরা এই চুলকানি সমাধানের ঘরোয়া উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং কিভাবে আপনি ঘরোয়া বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে এই চুলকানি সমস্যার সমাধান করতে পারবেন তা নিয়ে থাকছে আজকে আমাদের আর্টিকেল।

আমরা বিভিন্ন ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করে ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই চুলকানি সমস্যার সমাধান করে থাকতে পারবো। তার আগে আমাদের জানা উচিত আমাদের ত্বক চুলকায় কেন মূলত ত্বকের অবস্থা যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস ইত্যাদির ত্বকে তীব্র জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। এছাড়াও ত্বক শুষ্ক থাকলে বা ত্বকে কোনো ধরনের অ্যালার্জি থাকলে চুলকানি হতে পারে। ত্বকে চুলকানি হলে সাধারণত আমরা নিম পাতা, তুলসী পাতা, নারিকেল তেল, লেবু, বেকিং সোডা, অ্যালোভেরা এবং ওটমিল ব্যবহার করতে পারি। এগুলো ব্যবহারের ফলে আমাদের ত্বকে চুলকানির মতো সমস্যা আর থাকবে না।

চুলকানি আসলে কেমন ধরনের রোগ

চুলকানি রোগের সমস্যা সমাধান করার আগে আমাদের জানতে হবে চুলকানি আসলে কী এবং এটি কেন হয় সে সম্পর্কে। চুলকানি বা প্রুরিটাস সারা বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষের সমস্যা। এটি একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অনেক অস্বস্তিকর। চুলকানি সাধারণত এমন একটা অবস্থা যখন ত্বকে জ্বালাপোড়ার কারণে আমরা নিজেদের ত্বক আঁচড়ে থাকি। ত্বকে চুলকানি আমাদের সাধারণত নানা কারণে হয়ে থাকে।
তাই আমাদের চুলকানির প্রতিকার খোঁজার আগে চুলকানি কেন হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।ত্বকে চুলকানি মূলত ত্বক শুষ্ক থাকলে বেশি হয় ত্বক শুষ্ক থাকা ছাড়াও ত্বকে অ্যালার্জি, পোকামাকড়ের কামড়, বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন যেমন যকৃতের রোগ, কিডনি রোগ, রক্তশূন্যতা, ডায়াবেটিস, এবং থাইরয়েড সমস্যা এই সকল রোগের ক্ষেত্রে আমাদের ব্যাপক চুলকানি হতে পারে। তাই অতিরিক্ত চুলকানির সমস্যাকে আমাদের হালকা ভাবে নিলে চলবে না।

ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি হলে করনীয় কি

ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানির সমস্যা আমরা সাধারণত বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করে দূর করতে পারি। তবে যদি চুলকানি না থামে এবং রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ঘরোয়া উপায়ে চুলকানি দূর করার জন্য আমরা বিভিন্ন ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করতে পারি যেমন নারিকেল তেল সরাসরি শরীরে মাখতে পারি, নিম পাতা বা তুলসী পাতা দিয়ে গোসল করতে পারি, অ্যালোভেরা এবং লেবু ব্যবহার করতে পারি। এছাড়াও আমরা চুলকানি রোধে বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারি। 

তবে অতিরিক্ত চুলকানি সাধারণত অন্য কোনো রোগের লক্ষ্য হতে পারে। তাই যদি আমাদের ঘরোয়া বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করার পর ত্বকে চুলকানি না কমে তাহলে সে ক্ষেত্রে আমাদের যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে কারণ অতিরিক্ত ত্বক চুলকানো সাধারণত বড় বড় রোগের যেমন যকৃতের রোগ, কিডনির রোগ, রক্তশূন্যতা, ডায়াবেটিস বা থাইরয়েড ইত্যাদি সমস্যার পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। তাই অতিরিক্ত চুলকানি হলে এবং ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করে ভালো না হলে আমাদের অবশ্যই চুলকানিকে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

চুলকানি রোধে নিম বা তুলসী পাতার ভূমিকা

আমরা অনেকেই জানি নিম পাতা চর্ম রোগের মহা ওষুধ। নিম পাতা যেকোনো ধরনের চর্মরোগ ভালো করতে খুবই অসাধারণ ভূমিকা রাখে। তাই যদি আমাদের ত্বকে খুব চুলকানি হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা নিমের পাতার গাছ থেকে ছিড়ে নিয়ে এসে সেটিকে পেস্ট করে আমাদের শরীরে লাগাতে পারি অথবা আমরা নিমের পাতা কে পানির সাথে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করতে পারি। এতে করে আমাদের যেকোনো ধরনের চর্মরোগ বা ত্বকের চুলকানি ভালো হয় যাবে। 
ঘরোয়া-পদ্ধতিতে-চুলকানি-দূর-করার-উপায়
নিম পাতার পাশাপাশি আমরা চাইলে তুলসী পাতা দিয়েও কাজটি করতে পারি। তুলসীও ত্বকের জন্য অত্যন্ত ভালো। তুলসী পাতায় ইউজেনল নামে একটি উপাদান আছে যা মূলত অ্যান্সথেটিক হিসেবে কাজ করে। এ উপাদানটি চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ ফুটন্ত পানিতে দশ থেকে বিশটা তুলসী পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস বের করে নিয়ে সেই পানি সারা গায়ে মাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে অনেক আরাম পাওয়া যাবে।

চুলকানি দূর করতে নারকেল তেলের ভূমিকা

আমরা যেহেতু ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায় নিয়ে কথা বলছি। তাই এক্ষেত্রে আমাদের একটি ঘরোয়া উপাদান নারিকেল তেল যা ত্বককে শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করা এবং চুলকানির হাত থেকে বাঁচায়। শীতকালে যেকোনো রুক্ষ বা শুষ্ক ত্বকের উপর নারিকেল তেল ব্যবহার করলে চমৎকার ফল পাওয়া যায়। আমরা যদি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ নারিকেল তেল ভালোভাবে শরীরে ম্যাসাজ করি তাহলে আমাদের ত্বক কখনোই রুক্ষ বা শুষ্ক হবে না।

আমাদের ত্বক যত শুষ্কতা এবং রুক্ষতার হাত থেকে বেঁচে থাকবে চুলকানির সমস্যা তত কম হবে।চুলকানি হওয়ার অন্যতম একটি কারণ যেহেতু ত্বক শুষ্ক রাখা। তাই নারকেল তেল ব্যবহার করলে আমাদের ত্বক শুষ্ক থাকে না এবং চুলকানি হয় না। এছাড়াও ত্বকে নারিকেল তেল ব্যবহার করলে ত্বক ময়েশ্চারাইজ হয় এবং ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকারী ভূমিকা পালন করে।

চুলকানি দূর করতে লেবু এবং অ্যালোভেরার ভূমিকা

ত্বকের যেকোনো ধরনের চুলকানি রোধ করতে এবং ত্বককে বাঁচাতে লেবু খুবই কার্যকারী ভূমিকা পালন করে। লেবু প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এতে কোনো ধরণের ভেজালের সম্ভাবনা থাকে না। লেবুতে সাধারণত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক এসিড থাকে যা আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের ত্বকের ব্রণ বা বিভিন্ন জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে পাশাপাশি ত্বকের তেল ভাব নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা চাইলে প্রতি রাতে মধুর সাথে লেবু মিশিয়ে সেটা ফেসপ্যাক এর মতো আমাদের ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় লাগাতে পারি। যেটি আমাদের ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না যার ফলে চুলকানির মতো সমস্যা সৃষ্টি হয় না। 
লেবুর পাশাপাশি অ্যালোভেরাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই ক্ষেত্রে। শীতকালে আমাদের ত্বক যদি শুষ্ক হয়ে ফেটে যায় এবং জ্বালাপোড়া বা চুলকায় তাহলে আমরা সেই জ্বালাপোড়া বা চুলকানো কমানোর জন্য অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারি। অ্যালোভেরা জেল একটি অত্যন্ত উপকারী উপাদান। এটি ত্বককে ঠান্ডা রাখে এবং যেকোনো ধরনের চুলকানি রোধ করতে সাহায্য করে। এর জন্য আমরা গাছ থেকে অ্যালোভেরা পাতা ছিড়ে সেটার জেল বানিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগাতে পারি।

চুলকানি রোধে বেকিং সোডা বা ওটমিলের ভূমিকা

যেহেতু আমরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায় কথা বলছি তাই এক্ষেত্রে বেকিং সোডা এবং ওটমিলের কথা আমাদের অবশ্যই বলতে হবে। বেকিং সোডা আমাদের ত্বকের যেকোনো চুলকানি রোগ  সাড়তে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেহের ত্বকে পিএইচ এর ভারসাম্যহীনতা হলে বেকিং সোডা ত্বকের পিএইচ ভারসাম্যহীনতাকে খুব সহজেই মোকাবেলা করতে পারে। বেকিং সোডা গরম পানিতে এক কাপে চার ভাগের এক মিশিয়ে পেস্টের মতো ঘন করে ত্বকের চুলকানিযুক্ত জায়গায় মাখলে  বেকিং সোডার অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য ত্বকের চুলকানি থেকে তাৎক্ষণিক উপশম দেয়। 
ঘরোয়া-পদ্ধতিতে-চুলকানি-দূর-করার-উপায়
বেকিং সোডার পাশাপাশি ওটমিলও ত্বকের চুলকানি রোধে ভূমিকা রাখে। আমরা শীতকালে ত্বকের চুলকানি কমাতে গোসলের করার সময় পানিতে ওটস ব্যবহার করতে পারি। ওটসে বিটা গ্লুকান থাকে যা জ্বালাভাব কমায় ও ত্বক সুরক্ষিত রাখে। এর জন্য আমরা ওটস গুড়া করে গোসলের আগে পানিতে ভিজে রাখতে পারি এবং সে পানিতে গোসল করতে পারি। এ পানিতে গোসল করলে আমাদের ত্বক মসৃণ হবে এবং শীতকালে অধিক সুরক্ষিত থাকবে।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে 

চুলকানি রোগকে আমাদের কখনো অবহেলা করা উচিত না কারণ অতিরিক্ত চুলকানি অনেক সময় যেকোনো বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে। যেমন লিভারের সমস্যা, কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস অথবা থাইরয়েড জনিত যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে প্রচন্ড ত্বকে চুলকানি হয় এর জন্য আমাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। যদি আমাদের ত্বক অতিরিক্ত পরিমাণে চুলকায় এবং উপরে দেখানো ঘরোয়া পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে কোনভাবেই লাভ না হয়। 

তাহলে আমাদের অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। এক্ষেত্রে দেরি করা যাবে না হবে। চুলকানি যদি সাধারণত দুই সপ্তাহের বেশি থাকে, প্রচন্ড তীব্র হয়, রাতে ঘুমাতে ব্যাঘাত ঘটায় এবং সারা শরীর জুড়ে হয়। তাহলে আমাদের দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব একজন স্ক্রিন স্পেশালিস্ট বা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ইংলিশে ডার্মাটোলজিস্টের কাছে যেতে হবে। তিনি আমাদের কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমাদের ত্বকে কি সমস্যা রয়েছে তা উপযুক্তভাবে আমাদের শনাক্ত করে দিবে। তবে এক্ষেত্রে আমাদের কোনো কবিরাজ বা তান্ত্রিকের কাছে কখনো যাওয়া যাবে না। 

কিভাবে চুলকানির সমস্যা থেকে বেঁচে থাকা যায়

চুলকানির হাত থেকে বেঁচে থাকার জন্য চিকিৎসকরা সাধারণত কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকে। এখন এরকমই কিছু পরামর্শ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আমরা ইতিমধ্যে বলেছি চুলকানির অন্যতম প্রধান কারণ ত্বক শুষ্ক রাখা এবং শীতকালে আমাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। তাই শীতকালে ত্বককে কোনোভাবে শুষ্ক হতে দেওয়া যাবে না। ত্বক যেন আমাদের অতিরিক্ত শুষ্ক না হয় সেজন্য আমাদের নিয়মিত নারিকেল তেল, বিভিন্ন ময়শ্চারাইজ, গ্লিসারিন ইত্যাদি শরীরে নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে পাশাপাশি পাঁচ মিনিটের অধিক গরম পানিতে গোসল করা যাবে না। 
এছাড়াও ভালো কোম্পানির সুগন্ধযুক্ত সাবান বা বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। ত্বকে জ্বালাপোড়া করলে বা চুলকালে আমাদের ঢিলা-ঢালা এবং সুতির কাপড় পড়া উচিত। পাশাপাশি বাড়িতে শীতল, নিরপেক্ষ আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং শুষ্ক ত্বক বা একজিমার প্রবণতা থাকলে শীতকালে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা। সর্বোপরি সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করা এবং নিজেকে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করা। আশা করা যায় উপরোক্ত নির্দেশনা গুলো মেনে থাকলে  আমাদের শরীরে চুলকানির মতো সমস্যা আর হবে না।

শেষ কথাঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায়

এতক্ষণ উপরে আমরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলকানি দূর করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করলাম এবং আমাদের ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি হলে কি কি করতে হবে সেই বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। চুলকানি একটি অত্যন্ত অসহ্যকর অবস্থা তাই আমাদের ত্বক যদি অতিরিক্ত চুলকায় এবং এই চুলকানি যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হয়। তাহলে আমাদের দেরি না করে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ অতিরিক্ত চুলকানি সাধারণত কোনো বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে। 

আমার মতে চুলকানি একটি সাধারণ বিষয় হলেও আমাদের এটিতে অবশ্যই গুরুত্ব দেওয়া উচিত। চুলকানি দূর করতে আমরা বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারি। আমরা এতক্ষন যে ঘরোয়া উপাদান গুলো নিয়ে আলোচনা করলাম সেগুলো যদি আমরা নিয়ম মেনে নিয়মিত মাখি তাহলে আশা করা যায় আমাদের ত্বক শুষ্ক বা রুক্ষ হবে না এবং চুলকানির মতো সমস্যা সৃষ্টি করবে না। তবে এই উপাদানগুলো ব্যবহার করার পূর্বে কারো ত্বকে অ্যালার্জি বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর ব্যবহার করতে হবে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রাফিকা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url